সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও সরকারের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকারের হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল চালানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় উত্তেজনা ও সমালোচনা ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী চালক ও আরোহী উভয়ের জন্য হেলমেট বাধ্যতামূলক হলেও, একজন উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তার এমন আচরণ সামাজিক সচেতনতায় প্রশ্ন তুলেছে।
স্থানীয় সময় বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সিলেট এয়ারপোর্ট রোডের একটি ফাঁকা সড়কে ধারণ করা ওই প্রায় ৫৮ সেকেন্ডের ভিডিওটি সিইও নিজেই তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেন। ভিডিওতে দেখা যায়— চালকের আসনে মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, পেছনের সিটে তার স্ত্রী; দুজনেরই মাথায় হেলমেট অনুপস্থিত। ভিডিও প্রকাশের পর নেটিজেনরা তা দ্রুত শেয়ার করে এবং আইন-শৃঙ্খলা ও দৃষ্টান্ত স্থাপনের বিষয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন।
ভিডিও ভাইরাল হওয়া ও সমালোচনার পর কর্মকর্তাটি ভিডিওটি নিজের ফেসবুক পেজ থেকে ডিলিট করেন। এরপর সংবাদসংস্থাগুলোর যোগাযোগে মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার স্বীকার করেন যে তিনি ভিডিওটি পোস্ট করার সময় হেলমেট পরে ছিলেন না। তিনি বলেন, “খুব সকাল ছিল এবং সড়কটা প্রায় সম্পূর্ণ ফাঁকা ছিল—এমনই একটা মুহূর্তে আমি ভিডিও করার উদ্দেশ্যেই হেলমেট ছাড়াই মিনিটটারও কম সময় মোটরসাইকেল চালিয়েছি। এটা ভুল ছিল, ভবিষ্যতে এমন হবে না। আমি সাধারণত হেলমেট পরে বাইক চালাই।”
সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী হেলমেট পরা বাধ্যতামূলক না মানার জন্য আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। বিশেষত সরকারি উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের ওই অনুশীলন আইন মানার নৈতিক বহিঃপ্রকাশ হিসেবে গণ্য হওয়ায় জনসচেতন স্তরে এর নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সিসিক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে আপাতত কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিশ বা তদন্তের ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
শুরমা ফারর খবর ছিলটি জবানে ছিলটর খবর