Breaking News
Home / দেশও ফবাশর খবর / টাকার ফুটানি দেখিয়ে কেমোথেরাপি নেওয়ার আগে প্রকৃত সত্যটা জানুন ও বুঝুন: রাজিব আহমেদ

টাকার ফুটানি দেখিয়ে কেমোথেরাপি নেওয়ার আগে প্রকৃত সত্যটা জানুন ও বুঝুন: রাজিব আহমেদ

টাকার ফুটানি দেখিয়ে কেমোথেরাপি নেওয়ার আগে প্রকৃত সত্যটা জানুন ও বুঝুন!
 আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা সবাই জানেন- ক্যান্সার হলে কেমোথেরাপি দিতে/নিতে হয়। কিন্তু কেমিক্যাল-থেরাপি কেন দেওয়া হয় এবং সেটা কিভাবে ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে- এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট ধারণা রাখেন ক’জনা? নাকি ডাক্তার মানেই ‘পীর সাহেব’; তিনি যেটা বলবেন/লিখবেন, সেটাই সঠিক আর বাকি সব ধ্যান-ধারণা ভুল- এই নীতিতে বিশ্বাসী আপনি? কেমোথেরাপি যারা নিতে বাধ্য হন, তাঁদের অধিকাংশই জানেন না- এই বিষ কতটা জীবন বিধ্বংসী?
এই গবেষণা-লব্ধ নিবন্ধে কেমোথেরাপি’র আদ্যোপান্ত তুলে ধরার চেষ্টা করবো। অনুগ্রহ করে লেখাটি শেষ পর্যন্ত পাঠ করার জন্য সকলের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে প্রচলিত চিকিৎসাপদ্ধতির দালালদের প্রতি উন্মুক্ত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে চাই- পারলে আমার এই লেখনীকে তথ্য ও যুক্তি দিয়ে ভুল প্রমাণ করুন? আর সেটা না পারলে পাপের পথ (কেমো দিয়ে মানব-জীবন ধ্বংস) পরিত্যাগ করুন।
ক্যান্সারের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ ঘোষণার ৫০+ বছর অতিবাহিত হয়ে গেল, কিন্তু এখন পর্যন্ত এর কার্যকর কোনো সমাধান বের করা গেল না, উল্টো আগের চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যক মানুষের শরীরে এখন ক্যান্সার ধরা পড়ছে এবং তাঁরা প্রচলিত বাণিজ্যিক ধারার চিকিৎসা গ্রহণের কিছুদিনের মধ্যেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন- এটা কি মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা নয়?
একটিবার ভাবুন তো- ক্যান্সার নিরাময়ের উপায় বা কার্যকরী চিকিৎসাপদ্ধতি এখন পর্যন্ত আবিস্কৃত-ই হয়নি নাকি বাণিজ্যিক স্বার্থে ইচ্ছাকৃত তথা পরিকল্পিতভাবে সর্বসাধারণের কাছ থেকে আড়াল করে রাখা হয়েছে? আমার এই আশঙ্কা যদি সত্যি হয় এবং আমি তথ্য-প্রমাণসহ উপস্থাপন করতে পারি, তবে সেটা কত বড় মানবতা-বিরোধী অপরাধ? আর সেক্ষেত্রে ৫৫০ মিলিয়নেরও বেশি (ক্যান্সারের প্রচলিত চিকিৎসা গ্রহণ করে মৃত্যুবরণকারী) মানুষের রক্তের দাগ লেগে আছে কথিত ক্যান্সার চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক ও তাদের সহযোগীদের হাতে!
আমরা ক্যান্সার নিরাময়ের জন্য সেই সব মানুষের ওপরেই ভরসা করে বসে থাকি- যারা ক্যান্সারের কথিত চিকিৎসা করেন কেবলই অর্থ কামানোর জন্য। তাঁরা খুব ভালো করেই জানেন- এভাবে (তাঁদের পরামর্শ মেনে চললেও) ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব নয়! তবু তাঁরা একই প্রোটোকল অনুসরণ করে যাচ্ছেন বছরের পর বছর (বলা যেতে পারে বংশ পরম্পরায়; মানে শিক্ষক-ডাক্তার থেকে ছাত্র-ডাক্তার)। এদিকে ‌তাঁদের পরামর্শ মেনে কেমোথেরাপি গ্রহণ করে উপকৃত হওয়ার বদলে প্রতিবছর নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছেন লাখ লাখ মানুষ, কিন্তু কেউ সেসবের তোয়াক্কা/গ্রাহ্য করছে না! রোগীদের আর্তনাদ প্রবেশ করছে না চিকিৎসকদের কর্ণকুহরে; সেখানে বাধা হয়ে (অদৃশ্য দেয়াল তুলে) দাঁড়িয়ে আছে ড্রাগস মাফিয়াদের পেতে রাখা ফাঁদ (অশুভ চক্র)।
প্রচলিত ক্যান্সার চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োগ/ব্যবহার করা হয় কেমোথেরাপি। এটি এমন এক চিকিৎসা প্রক্রিয়া- যেখানে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলোকে মেরে ফেলার লক্ষ্যে রোগীর শরীরে অত্যন্ত বিষাক্ত রাসায়নিক ইনজেকশন প্রয়োগ করা হয়। এজন্য যে এজেন্টটি ব্যবহার করা হয়, তার নাম মাস্টার্ড গ্যাস। এটি রাসায়নিক অস্ত্রের একটি উপজাত- যার নাম মাস্টারজেন। ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল তথা হত্যা করার জন্য এই ক্ষতিকর গ্যাস ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল। এর প্রধান লক্ষ্য মানবদেহের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ সক্ষমতাকে নষ্ট করে দেওয়া।
মাস্টার্ড গ্যাস মানবদেহের ইমিউন সিস্টেমকে ধ্বংস করার পাশাপাশি ক্যান্সার সৃষ্টি করতে পারে, এমনকি আক্রান্ত ত্বককে শরীর থেকে আক্ষরিক অর্থেই খসিয়ে ফেলে। সেজন্য পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রে মাস্টার্ড গ্যাসের ব্যবহার স্থগিত ঘোষণা করা হয়। উচিত ছিল এই বিধ্বংসী বিষের আবিষ্কার তথা ব্যবহারকে ‘মানবসভ্যতার একটি কালো অধ্যায়’ হিসেবে চিহ্নিত করে এর উৎপাদন স্থায়ীভাবে (চিরতরে) নিষিদ্ধ ঘোষণা করা। কিন্তু বিস্ময়কর ব্যাপার হলো- এটাকেই পরবর্তীতে (১৯৪৬ সালে) ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের শরীরে (চিকিৎসার নামে) ইনজেকশন হিসেবে ঢোকানোর অনুমোদন দেওয়া হয়!
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয়ে যাওয়ার পর সবাই যখন ক্ষতিকর মাস্টার্ড গ্যাসের উৎপাদন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ ঘোষণা করার জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করছেন, ঠিক সেই সময়ে আমেরিকার ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টর গুড ম্যান ও ডক্টর গিলম্যান ইদুরের ওপরে মাস্টার্ড গ্যাস প্রয়োগ সংক্রান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেন। ‌তাঁরা দেখতে পেলেন- এই গ্যাস প্রয়োগ করলে ইঁদুরের দেহের আকৃতি ক্রমান্বয়ে ছোট হয়ে আসে (কেননা বিষাক্ত গ্যাসের কুপ্রভাবে জীবন্ত প্রাণীর শরীরের কিছু কোষ অকাল মৃত্যুবরণ করে)। কিন্তু এটাকে তাঁরা উপস্থাপন করলেন ভিন্নভাবে; তাঁরা বোঝানোর চেষ্টা করলেন- ক্যান্সার আক্রান্ত হলে মানবদেহে যে টিউমার/সিস্ট/চাকা তৈরি হয়, সেগুলোর আকার ছোট করতে এই গ্যাস প্রয়োগ করা যেতে পারে..!
এখানে লক্ষণীয় ব্যাপার- তাঁদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র টিউমারের আকৃতিকে ছোট করা। কিন্তু সেটা করতে গিয়ে মাস্টার্ড গ্যাসের কুপ্রভাবে পুরো দেহটাই যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং কিছুদিনের মধ্যে রোগী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন- সেটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়নি কারো কাছে! ওই একই সময়ে ক্যান্সারের পুষ্টিভিত্তিক চিকিৎসার জন্য পরিচিত আমেরিকান চিকিৎসক ডাক্তার গার্সন আমেরিকার কংগ্রেসে এমন কিছু ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর উদাহরণ উপস্থাপন করেছিলেন- যারা তার পুষ্টি-নির্ভর চিকিৎসার মাধ্যমে পরিপূর্ণ সুস্থতা ফিরে পেয়েছিলেন। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এই চিকিৎসাপদ্ধতিতে ছিল তাজা ফল, শাক-সবজি, কফি এনিমা এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক পুষ্টিকর উপাদান। কিন্তু মাত্র একজন রোগীর দেহে কেমোথেরাপি দেওয়ার পরে কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যায় (যার ভিন্ন কোনো কারণও থাকতে পারে- যেটা অজানা বা সকলের দৃষ্টি এড়িয়ে গেছে)। কথিত এই সফলতাকে পুঁজি করেই রাতারাতি পুরো কেমোথেরাপি ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠেছিল [সূত্র : IHEALTHTUBE.COM, GONZALES, N. (2012). The shocking history of chemotherapy. https://www.youtube.com/watch? V=_TPTKBXQJR4. [November 28, 2016]
কেমোথেরাপি দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত মাস্টারজেন এতোটাই বিষাক্ত যে, এর গুঁড়া বা দ্রবণ খুব সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হয়। কোনো কারণে ত্বক বা শ্বাসের সংস্পর্শে এলে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিতে পারে। এমন বিষাক্ত কিছু অসুস্থ ব্যক্তির শিরায় ইনজেকশন হিসেবে ঢোকালে তিনি সেরে উঠবেন নাকি তাঁর স্বাস্থ্য আরো খারাপ হবে- এটা বোঝার জন্য ডিগ্রিধারী ডাক্তার হওয়া লাগে? অথচ কথিত ক্যান্সার বিশেষজ্ঞগণ এভাবেই সবার চোখের সামনে কথিত ক্যান্সার চিকিৎসার নামে জমজমাট ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন..!
গভীরভাবে চিন্তা করে দেখুন তো- যে গ্যাসের সংস্পর্শে এলে চোখে-মুখে জ্বালাপোড়া শুরু হয়ে যায়, ত্বক পুড়ে যায়, সেটাকেই কিনা পরম যত্নে ইনজেকশন আকারে সরাসরি মানবদেহের রক্তে মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে..! ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক স্বার্থে কতটা ভয়ংকর এবং অশুভ চিন্তা মানুষ মানুষকে নিয়ে করতে পারে- কেমোথেরাপি তার একটা জ্বলন্ত উদাহরণ। অথচ সেটাই বিশ্বব্যাপী সগৌরবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, কেউ তার টুটি চেপে ধরার সাহস পর্যন্ত দেখাচ্ছে না!
স্পষ্ট জেনে রাখুন- ক্যান্সার-এর চিকিৎসায় কেমোথেরাপি কোনো সমাধান নয়। এতে ক্যান্সার বিস্তার প্রতিরোধ হয় না, শুধুমাত্র প্রটোকল অনুসরণ করার জন্য এগুলো দেওয়া হয়। যার পরিণামে সমগ্র দেহে বিষ ছড়িয়ে পড়ে এবং নানাবিধ জটিল উপসর্গ দেখা দেয়। বলা যায়- কেমো দিয়ে রোগীর মৃত্যুকে আরো ত্বরান্বিত করা হয়! প্রচলিত চিকিৎসাপদ্ধতি যে ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে আমাদের সামনে- ‘ক্যান্সার মানেই অলঙ্ঘনীয় মৃত্যুদণ্ড’, সেটা সর্বৈব মিথ্যা। মানুষসহ প্রত্যেকটি প্রাণীর মৃত্যু হয় মহান সৃষ্টিকর্তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে ও ক্ষণে; এর সঙ্গে ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়া বা না হওয়ার কোনো যোগসূত্র নেই।
ক্যান্সার থেকে বেঁচে যাওয়ার প্রকৃত পথ হচ্ছে Alkaline Diet (pH ব্যালেন্স করে): ক্যান্সার কোষ অম্লীয় পরিবেশে বাড়ে, ক্ষারীয় খাদ্য এটা বন্ধ করে। Mr. Otto Heinrich Warburg [জন্ম ৮.১০.১৮৮৩, Freiburg, Baden, German Empire; মৃত্যু ১.৮.১৯৭০, Berlin, West Germany] বহু বছর আগেই (১৯৩১ সালে) ক্যান্সারের কারণ ও প্রতিকার আবিষ্কার করে নোবেল জিতেছেন। কিন্তু সমগ্র বিশ্বব্যাপী বিলিয়ন ডলারের কেমো ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে বলে সেসব তথ্য অত্যন্ত সুকৌশলে ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে!
এদিকে Dr. Sebi (পুরো নাম আলফ্রেডো ড্যারিংটন বোম্যান) নামে এক holistic healer ছিলেন- যিনি শুধু alkaline foods খাইয়ে হাজারো ক্যান্সার রোগীকে সারিয়ে তুলেছিলেন। তিনি ওষুধরূপী ড্রাগস বাণিজ্যকে টিকিয়ে রাখার স্বার্থে রোগ সৃষ্টি ও জিইয়ে রাখার পুঁজিবাদী গোমর ফাঁস করে দিয়েছিলেন। একইসঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি প্রাকৃতিক উদ্ভিদের সঙ্গে সমগ্র পৃথিবীকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে যে কোনো রোগ থেকে মুক্তির প্রাকৃতিক উপায়ও বাৎলে দিয়েছিলেন।
ডক্টর সেবি’র খাদ্য ব্যবস্থাপনার মূল প্রতিপাদ্য হলো ক্ষারীয় খাদ্য। তিনি উদ্ভিদভিত্তিক খাদ্যের পক্ষে ছিলেন এবং প্রক্রিয়াজাত ও প্রাণীজ খাদ্যপণ্য পুরোপরি এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দিতেন। এই খাদ্য ব্যবস্থাপনার লক্ষ্য মানব-শরীরের ভেতরে এমন একটি ক্ষারীয় পরিবেশ তৈরি করা- যেখানে ক্যান্সার বৃদ্ধি পেতে পারে না! দুঃখজনক ঘটনা হলো, ড্রাগস মাফিয়াদের যোগসাজশে তাঁকে ‘ভুয়া চিকিৎসক’ তকমা লাগিয়ে ২০১৬ সালের মে মাসে গ্রেপ্তার করে কৌশলে কারাগারেই মেরে ফেলা হয়!
১৯৭০ দশকের গবেষক Dr. Ernst Krebs বলেন :“ক্যান্সার মূলত B17 ঘাটতির রোগ। সুতরাং B17 হচ্ছে প্রকৃত ক্যান্সার প্রতিরোধক।” তিনি Laetrile ব্যবহার করে বহু ক্যান্সার রোগীকে পুরোপুরি সুস্থ করে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন, কিন্তু পরে FDA সেটাকেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। কেননা ক্যান্সার তো ট্রিলিয়ন ডলারের ব্যবসা- চিকিৎসা মাফিয়ারা কখনোই রোগীর ক্যান্সার সারাতে চায় না, বরং চায় রোগীকে চিরস্থায়ী (আমৃত্যু) খদ্দের বানিয়ে রাখতে..!
প্রিয় পাঠক, আপনাদের চেনা-জানা পরিমণ্ডলে খোঁজ নিয়ে দেখুন তো কেমোথেরাপি দিয়ে কেউ পুরোপুরি ক্যান্সার-মুক্ত হয়েছেন- এমন কোনো দৃষ্টান্ত আছে কিনা? আজকাল অধিকাংশ রোগী ক্যান্সারে আক্রান্ত বলে মৃত্যুবরণ করেন না, বরং কেমোথেরাপির ধকল সইতে না পেরে দ্রুতই হারিয়ে যান পৃথিবী থেকে। কেমোথেরাপি দিয়ে ক্যান্সার ভালো হবে কিভাবে- যদি যে সকল ভুলের কারণে ক্যান্সার হয়েছে, দৈনন্দিন জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের সেই ভুলগুলো না শুধরান? এমন তো নয় যে কেমোথেরাপি না নেওয়ায় কারণেই ক্যান্সার হয়েছে?
আমাদের শরীর অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং সর্বদা আমাদের পক্ষেই কাজ করে। শরীর যখন বিষক্রিয়ায় ধুঁকছে, তখন তাকে প্রাকৃতিক উপায়ে সুস্থ হওয়ার সুযোগ না দিয়ে বিষাক্ত কেমোথেরাপি প্রয়োগ করা একটি মহাভুল পদক্ষেপ (রক্তে সরাসরি অ্যাসিড ঢেলে দেওয়ার মতো ভয়ংকর ব্যাপার); শরীর আপনাকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু আপনি তার তোয়াক্কা না করে চিকিৎসা ব্যবসায়ীদের পরামর্শ মেনে টাকার ফুটানি দেখিয়ে রক্তে মারণঘাতী বিষ প্রয়োগ করে সেটাকেই বলছেন- আধুনিক চিকিৎসা! কেমোথেরাপি যদি শুধু ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলোকে খুঁজে খুঁজে মেরে ফেলতো, তাহলে কোনো আপত্তি ছিল না, কিন্তু এটা তো পুরো দেহকোষকেই ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
কেমোথেরাপি’র ধকলে রোগীর প্রাণ যখন যায় যায় অবস্থা, চিকিৎসা-মাফিয়ারা তখনো কেমো দেওয়া বন্ধ করে না। কিন্তু ওই সময় যদি মহান সৃষ্টিকর্তার অনন্য সৃষ্টি কোনো প্রাকৃতিক জীবন্ত (টাটকা) ফল-ফলাদি খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হতো, তবে অনেকেই ক্যান্সার থেকে চিরতরে রেহাই পেয়ে যেতেন। যে কারণে মানব-শরীরে ক্যান্সার বাসা বাঁধে, সেগুলো দূর করলে প্রাকৃতিক নিয়মেই দেহ আগের অবস্থায় ফিরে যায়।
ক্যান্সার কারো দেহের শত্রু নয়, বরং এটি শরীরের ভেতরে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা চরম ভারসাম্যহীনতার সতর্ক বার্তা মাত্র; দীর্ঘমেয়াদী প্রাকৃতিক চিকিৎসায় ক্যান্সার থেকে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব! জেনে রাখা ভালো- টানা ছয় থেকে নয় মাস আগুনের স্পর্শবিহীন প্রাকৃতিক জীবন্ত খাবার (মানে শুধুমাত্র টাটকা গাছপাকা ফল) খেয়ে অতিবাহিত করতে পারলেই রোগীর দেহ থেকে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলো পুরোপুরি উধাও হয়ে যাবে (ইন-শা-আল্লাহ্)। এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণে কেউ সম্মত থাকলে সরাসরি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন?
চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণা পত্রিকা ’দ্য ল্যান্সেট’-এ ১৯৮০ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রতিবেদনে দেখানো হয়েছে- যারা (৭৮জন) কেমোথেরাপি গ্রহণ করেছেন, তাঁদের থেকে বহুগুণ বেশি ভালো ছিলেন যারা (৮০ জন) কেমোথেরাপি গ্রহণ করেননি। আর টিউমার ছোট হয়ে আসার সঙ্গে সুস্থতা ফিরে পাওয়া তথা বেঁচে থাকার ন্যূনতম সম্পর্ক নাই, উল্টো কেমিক্যাল-থেরাপি দেওয়ার কারণে অধিকাংশ রোগীর বেঁচে থাকার সময়কাল আরো কমে যেতে পারে [সূত্র : Failure of chemotherapy to prolong survival in a group of patients with metastatic breast cancer. The Lancet 1980;1 (8168 PT 1):580-2]
কেমোথেরাপির কার্যকারিতা নিয়ে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বিস্তারিত গবেষণা করেছেন জার্মান মহামারী বিশেষজ্ঞ বায়োস্ট্যাটিসিয়ান ডক্টর উলরিচ অ্যাবেল। তাঁর মতে কেমোথেরাপিতে বিষাক্ত ও ব্যয়বহুল কেমিকেলের তৈরি সিন্থেটিক ড্রাগস ব্যবহার করা হলেও রোগীদের আয়ুষ্কাল বাড়ে না। বিশ্বের ৩৫০টিরও বেশি সুপরিচিত মেডিকেল সেন্টার থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তিনি সবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছেন- সমগ্র বিশ্বজুড়েই কেমোথেরাপির সাফল্যের হার অতিশয় হতাশাজনক; অন্তত ৮০% কেমোথেরাপির (চিকিৎসা ব্যবসায়ীদের পকেট ভরা ছাড়া) বাস্তব কোনো উপকার নাই!
অস্ট্রেলিয়ার একদল বিজ্ঞানী ২০০৪ সালে সম্পূরক গবেষণায় দেখিয়েছেন- কেমোথেরাপির কার্যকারিতা উপরোক্ত গবেষণার ফলাফলের চাইতেও কম। কেমোথেরাপি গ্রহণকারী ক্যান্সার রোগীদেরকে পাঁচ বছর পর্যন্ত অনুসরণ করে দেখা গেছে- আমেরিকায় মাত্র ২.১% আর অস্ট্রেলিয়ায় মাত্র ২.৩% রোগী তখন পর্যন্ত প্রাণে বেঁচেছিলেন। তার মানে কেমোথেরাপির ব্যর্থতার হার ৯৮% [সূত্র : Morgan G, Ward R, Barton M. The contribution of cytotoxic chemotherapy to 5-year survival in adult malignancies, Clinic Oncol (R Coll Radiol). 2004; 16 (8): 549-60]
গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু কেমোথেরাপি গ্রহণ করলে ক্যান্সার আক্রান্ত টিউমারের বৃদ্ধি কমিয়ে দিতে পারে বটে, কিন্তু একই সঙ্গে শরীরের কিছু StemCell-কে এমনভাবে প্রভাবিত করে যে, সেগুলো স্বাভাবিকের চাইতে অনেক দ্রুত বাড়তে ও বিভাজিত হতে শুরু করে দেয়..। তার মানে কেমোথেরাপি দেওয়ার পর টিউমারের আকৃতি দ্রুত ছোট হয়ে আসে- যেটা দেখে চিকিৎসকেরা বোঝানোর (প্রমাণ করার) চেষ্টা করেন- রোগী উপকার পাচ্ছেন,‌ কিন্তু বাস্তবে এটি ক্যান্সারের বৃদ্ধি ও ছড়িয়ে পড়াকে আরো দ্রুততর করতে পারে..!
অধিকাংশ ক্ষেত্রে কেমোথেরাপি গ্রহণ করার পরে কয়েকদিন রোগীকে প্রচন্ড জ্বালা-যন্ত্রণায় ভুগতে হয়। বিশেষ করে ষাটোর্ধ্ব বয়সী রোগীরা কেমোথেরাপি গ্রহণ করার পর এতোটাই দুর্বল হয়ে পড়েন যে, ঘরের ভেতরে স্বাভাবিক হাঁটা-চলাও করতে পারেন না। কেমোথেরাপির ভয়াবহতা বোঝার জন্য এটা কি যথেষ্ট নয়?
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানের যে সকল কারখানায় মাস্টার্ড গ্যাস তৈরি করা হয়েছিল, ৫৭ বছর পরে সেই সকল কারখানার অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের (যারা তখন পর্যন্ত জীবিত ছিলেন) শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়- জীবনের কোনো এক মুহূর্তে মাস্টার্ড গ্যাসের সংস্পর্শে থাকা প্রত্যেক কারখানা-কর্মী শ্বাসতন্ত্রের ক্যান্সার এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্রংকাইটিস/এমফাইসেমায় ভুগতে ভুগতে মৃত্যুবরণ করছেন।
ডাক্তার প্রেসক্রিপশনে লিখে দেওয়ার পর যে সেবিকা রোগীর দেহে কেমিক্যাল-থেরাপি প্রয়োগ করেন, তিনি প্রতিরক্ষামূলক গ্লাভস পরিধান করে নেন এজন্য যে, এর একটি ক্ষুদ্র ফোঁটাও যদি তাঁর শরীরের সংস্পর্শে আসে, তবে জায়গাটা তৎক্ষণাৎ পুড়ে যাবে। তাহলে এই প্রশ্ন তোলা কি অযৌক্তিক হবে- যে বিষ প্রয়োগের সময় এতো বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়, সেটা কিভাবে রক্তে মিশিয়ে দেওয়ার পরে মানব-শরীরের জন্য কল্যাণকর হতে পারে? ২০১৬ সালের আরেক গবেষণায় অর্ধেকেরও বেশি নার্সিং এবং ফার্মেসী কর্মীরা শুধুমাত্র কেমোথেরাপির ড্রাগসের সঙ্গে কাজ করার কারণে মাথাঘোরার অভিযোগ করেছিলেন, কিন্তু সেগুলোকে আমলে নেওয়া হয়নি!
চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত দীর্ঘজীবী স্তন ক্যান্সার রোগী ৯৩ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচেছিলেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়- মাত্র ৪৫ বছর বয়সে তাঁর শরীরে ক্যান্সার শনাক্ত হলেও তিনি এর জন্য কোনো চিকিৎসা গ্রহণ করেননি। এভাবে আরো ২২ বছর অতিবাহিত করার পর তাঁর মেরুদন্ডে ক্যান্সারের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এভাবে তিনি কাটিয়ে দেন আরো ১৪টি বছর। তারপর তাঁর কলিজায় ক্যান্সার ধরা পড়ে। এর ১০ বছর পরে প্রথমবারের মতো তিনি কেমোথেরাপি (কেপসিটাবাইন) নেন বা নিতে তাঁকে প্রভাবিত/চাপ প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু মাত্র দু’টি চক্র নেওয়ার পর এতো কষ্ট সহ্য করতে হয় যে, তিনি এই চিকিৎসা চালিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানান এবং পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। তার মানে ৪৫ বছর বয়সে রোগ শনাক্ত হওয়ার পরেও প্রচলিত চিকিৎসা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানোর সুবাদে তিনি অতিবাহিত করতে পেরেছেন আরো ৪৬ বছর, কিন্তু কেমোথেরাপি গ্রহণ করার পরে মাত্র দুই বছরও বাঁচতে পারেন নাই! [সূত্র : Bayraktar S, Garcia-Buitrago MT, Hurley E, Gluck S. Surviving metastatic breast cancer for 18 years : A case report & review of the literature. Breast J. 2011; 17(5) : 521-4]
এমন বাস্তবতায় পাশ্চাত্যের একজন ডাক্তার প্রচলিত ক্যান্সার চিকিৎসাকে এক কথায় প্রকাশ করেছেন এভাবে- `Win the battle, but lose the war’ অর্থাৎ লড়াইয়ে জয়ী হলেও যুদ্ধে পরাজিত হতে হয়! শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়লেই তাকে সার্জারি করে কেটে ফেলা বা কেমোথেরাপি দিয়ে ধ্বংস করার প্রচেষ্টাকে আমরা ক্যান্সার-এর চিকিৎসা বলি, কিন্তু ক্যান্সার পরে ঠিকই ফেরত চলে আসে এবং এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ক্যান্সারই জয়ী হয়!
‘ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল’ ডাক্তারি জগতে খুবই জনপ্রিয়। তার মুখ্য সম্পাদক ফায়োনা গডলি জানিয়েছেন, ক্যান্সার রোগীর আয়ুষ্কাল বাড়াতে পারে- এমন প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও অনেক ড্রাগস ছাড়পত্র পেয়ে যাচ্ছে! এগুলো অসহায় রোগীদের সঙ্গে তামাশা নয় কি? কিন্তু কেউ প্রতিবাদ করছেন না; সবাই গা বাঁচিয়ে চলছেন..! ক্যান্সার চিকিৎসার যেসব নতুন ড্রাগ বাজারে ঢুকছে, সেগুলোর দাম শুনে আত্কে উঠতে হয়! অথচ তাতে রোগীর উপকার হচ্ছে সামান্যই, বেশিকাল বেঁচে থাকার সম্ভবনা মোটেও বাড়ছে না, দুর্গতিও কমছে না; উপরন্ত ড্রাগসের মারাত্মক কুফলে ভুগতে হচ্ছে রোগীদেরকেই!
ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীরা ১০/২০ বছর ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার পরও ‘রোগী’ই থেকে যান; অন্যদিকে মুখস্থবিদ্যার জোরে পরীক্ষা দিয়ে পাস করে কেউ কেউ ‘ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ’ বনে যান; তারপর প্রাতিষ্ঠানিক সনদপত্রের জোরে রোগীর দেহে ইচ্ছামতো বিষ ঢুকিয়ে রোগীকে দ্রুত মৃত্যুর দিকে টেনে নিয়ে যান..! ‘ল্যান্সেট অনকোলজি’-তে ২০১৬ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে- ফুসফুসের ক্যান্সারের জন্য ৮.৪% এবং স্তন ক্যান্সারের জন্য চিকিৎসা নেওয়া ২.৪% রোগী কেমোথেরাপি গ্রহণের ৩০ দিনের মধ্যেই মৃত্যুবরণ করেছেন। কিন্তু এতোসব চাক্ষুস প্রমাণ হাতের মুঠোয় থাকার পরেও ক্যান্সারকে ঘিরে ড্রাগস মাফিয়াদের চলমান বিলিয়ন ডলারের ব্যবসাকে থামানো যায়নি। সবার চোখের সামনেই বছরের পর বছর ধরে এই অনাচার (চিকিৎসা সেবার নামে জমজমাট ব্যবসা) চলছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে- একজন ক্যান্সার রোগী থেকে গড়ে দেড় কোটি টাকার রাজস্ব জোগাড় হয়। ক্যান্সার ইন্ডাস্ট্রি বছরে ৬০০ বিলিয়ন ডলার মুনাফা করে। তারা কি চাইবে রোগী একবারেই পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে যান?
ক্যান্সারকে ধ্বংস করার জন্য আমাদের দেহে মাত্র দু’টি ইমিউন কোষ আছে- ন্যাচারাল কিলার সেল ও টি হেল্পার সেল। এরাই হলো ক্যান্সার ধংসের কিলার বা হিটম্যান। কেমোথেরাপি দিয়ে আমরা ক্যান্সারের পাশাপাশি এই দু’টো কোষকেও মেরে ফেলি! ফলে ইমিউন সিস্টেম দূর্বল হয়ে গিয়ে দ্রুতই আবার ক্যান্সার ফেরত চলে আসে। অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে- লাখ লাখ টাকা খরচ করে আমরা যে চেকপয়েন্ট ইনহিবিটর ইমিউনোথেরাপি দেই, তার কাজ হচ্ছে টি হেল্পার সেলকে ক্যান্সার চেনাতে সাহায্য করা। তবে এই ড্রাগসগুলো কেবল ২০% রোগীর ক্ষেত্রে কাজ করে, বাকি ৮০% রোগীর শরীরে শুরুতেই পর্যাপ্ত পরিমাণ সৈন্য বা টি-সেল থাকে না। কেননা কেমোথেরাপি দিয়ে ইতোমধ্যে ওগুলোকে মেরে ফেলা হয়েছে..!
এতোক্ষণ ধরে সুস্পষ্ট তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের পরেও যারা কেমোথেরাপির ভয়াবহতা বুঝতে পারছেন না কিংবা বুঝেও স্বার্থহানির আশঙ্কায় না বোঝার ভান করছেন, তাঁদের অবগতির জন্য আরো কিছু আতঙ্কিত হওয়ার মতো তথ্য উপস্থাপন করতে চাই :-
✓ কেমোথেরাপির তীব্র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মানবদেহে রক্তের লোহিত কণিকা, শ্বেত কণিকা ও প্লাটিলেট কমে যায়। হাড়ের বৃদ্ধি থমকে দেওয়ার পাশাপাশি খনিজ ঘনত্ব কমিয়ে দেয়।
✓ কেমোথেরাপি গ্রহণ করলে মনোযোগ কমে যায়, ভুলে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে, চিন্তাশক্তি লোপ পায়, মস্তিষ্কের গুণগত মানের অবক্ষয় ঘটে, স্নায়ুর ক্ষতি তথা খিঁচুনির কারণ হয়। রোগী পক্ষাঘাতগ্রস্ত হতে পারেন, এমনকি হঠাৎ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করতে পারেন।
✓ কেমোথেরাপি একাধারে ডায়রিয়া এবং পরিপাকতন্ত্রে বেদনাদায়ক প্রবাহ ও আলসারের কারণ হতে পারে।
✓ কেমোথেরাপি শরীরের জোর কমিয়ে দেয়, পেশীর কার্যকারিতা নষ্ট করে, দৃষ্টিশক্তি কমে যায়, এমনকি অন্ধত্বের কারণ হতে পারে।
✓ কেমোথেরাপি চুল পড়ার কারণ হয়, ক্ষত নিরাময়ে বাধা দেয়, শ্রাবণশক্তি কমিয়ে দেয়। এটি হৃদরোগের কারণ হতে পারে, ইমিউন সিস্টেমের ক্ষতি করে, হেপাটাইটিস সি সংক্রমণকে বাড়িয়ে তোলে, হেপাটাইটিস বি ভাইরাসকে পুনরায় সক্রিয় করে এবং এন্টি-টিউমার ইমিউন প্রতিক্রিয়াকে দুর্বল করে।
✓ কেমোথেরাপি কিডনি বিকলের কারণ, কলিজার ক্ষতি করে, ফুসফুসের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয় এবং মানসিক চাপ বাড়ায়।
✓ কেমোথেরাপি দাঁতকে দুর্বল করে, মুখমণ্ডল শুকিয়ে যায়, শরীরের যত্রতত্র ছত্রাকের সংক্রমণ হয়, পাকস্থলীতে আলসার হতে পারে। সারাশরীরে ব্যথার (সুঁই ফোটানোর অনুভূতি) কারণ হয়- যেটা রোগীকে আমৃত্যু বহন করে যেতে হয়।
✓ কেমোথেরাপি গ্রহণ করার পরে রোগীদের খেতে অসুবিধা হয়, খাবার ঠিকমতো গিলতে পারেন না, বমি বমি ভাব হয়, খাবারের স্বাদ পান না, সব সময় মাথা ঘোরায়, শরীরের মধ্যে অস্বস্তি বিরাজ করে।
✓ কেমোথেরাপি নেওয়ার পরে নারীদের শরীরে মারাত্মক অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু এতোসব ক্ষতির বিপরীতে কেমোথেরাপি গ্রহণকারীদের প্রাপ্তি (Net Gain) বলতে কিছুই হয় না!
পরিশেষে সুস্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই- কেমোথেরাপি কখনোই কোলন বা ফুসফুসের ক্যান্সার নিরাময় করতে পারে না (কেননা এখানে রোগ নয়, রোগের লক্ষণ ধামাচাপা দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হয়), বরং সমগ্র বিশ্বজুড়ে বেশিরভাগ ক্যান্সার রোগী কেমোথেরাপির কুপ্রভাবেই দ্রুত মৃত্যুর দিকে ধাবিত হন। এই চরম সত্যটি কথিত এই চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেকে কম-বেশি অবগত, কিন্তু তারপরেও বিশ্বব্যাপী কেমোথেরাপির অপব্যবহার বিন্দুমাত্র কমে নাই, বরং দিনকে দিন আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলেছে..! কেমোথেরাপি ক্যান্সারের প্রকৃত চিকিৎসা নয়, এতে রোগীদের দফারফা হয়ে গেলেও চিকিৎসা ব্যবসায়ীদের পকেট ঠিকই ভর্তি হয়!
আমি আসলেই বুঝতে পারি না- প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রিধারী মেধাবী চিকিৎসকেরা কিভাবে স্পষ্ট প্রমাণ উপেক্ষা করতে পারেন যে, কেমোথেরাপি ভালোর চেয়ে অ-নে-ক বেশি ক্ষতির কারণ? অন্যদিকে পৃথিবীর সব টাকা ঢেলে দিলেও কেমোথেরাপি দিয়ে (সাময়িক লক্ষণ ধামাচাপা দেওয়া গেলেও) কাউকে পরিপূর্ণ সুস্থ করে তোলা যায় না- এই চরম সত্যটা কবে বুঝবে সাধারণ মানুষ? ক্যান্সার কাউকে কবরের কাছাকাছি পৌঁছিয়ে দেয় না, বরং আক্রান্ত রোগীরা কেমোথেরাপি নিয়ে মৃত্যুকে কাছে ডেকে আনছেন..! ক্যান্সার রোগীদের কেমোথেরাপি দিয়ে কোনো লাভ হয় না; শুধু শুধু টাকা নষ্ট আর বাড়ায় রোগীর কষ্ট!
বিখ্যাত আমেরিকান বায়োকেমিস্ট আর্নস টি. ক্রেবস জুনিয়র (১৯১১-১৯৯৬)-এর সঙ্গে সুর মিলিয়ে বলতে চাই- বিষাক্ত কেমোথেরাপি একটি সুস্পষ্ট প্রতারণা। যে ডাক্তারগণ এটি ব্যবহার করেন, তাঁরা পূর্বপরিকল্পিত হত্যার জন্য দোষী এবং এর ফলে কোবাল্ট ও ক্যান্সার চিকিৎসার অন্যান্য কার্যকর পদ্ধতিগুলো থমকে আছে..!
লেখাটি শেষ করবো ডক্টর রাইক গিয়ার্ড হ্যামার-এর সেই বিখ্যাত উক্তিটি দিয়ে। তিনি বলেছিলেন : কেমোথেরাপিকে চিকিৎসাপদ্ধতি হিসেবে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের কাছে বিক্রি করা চিকিৎসাবিজ্ঞানের (আসলে ব্যবসার) ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রতারণা। যারা এই কেমো-নির্যাতন প্রক্রিয়ার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নকারী, তাদের জন্য নরকে একটি স্মৃতিস্তম্ভ থাকা উচিত!

Check Also

জকিগঞ্জ বাজারে অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির চেষ্টা, আটক ১, কারাদণ্ড ও জরিমানা

জকিগঞ্জ প্রতিনিধি: সিলেটের জকিগঞ্জ বাজারে একটি অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তুতির অভিযোগে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *