সিলেটে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতে এসে এক নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা ওই নারী পেশাগতভাবে ভিক্ষাবৃত্তির সঙ্গে যুক্ত। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মঙ্গলবার দুইজনকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)। অভিযানে অপরাধে ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে।
র্যাবের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে সিলেটের শাহপরান এলাকায় এক ব্যক্তি প্রথমে ভুক্তভোগী নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে সখ্যতা গড়ে তোলেন। পরে তাকে ফুসলিয়ে লোহারপাড়া এলাকার একটি বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আগে থেকে অবস্থানরত কয়েকজন ব্যক্তি এবং কয়েকজন সিএনজি চালক মিলে ওই নারীকে আটকে রেখে রাতভর ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার সকালে ভুক্তভোগী নারী পাশের ভাড়াটিয়াদের কাছে বিষয়টি জানালে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে র্যাবকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে র্যাব-৯ দ্রুত ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করে। তবে তদন্তের স্বার্থে আটককৃতদের নাম-পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
র্যাব-৯ এর সিপিএস কোম্পানি কমান্ডার মেজর সাদমান জানান যে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক দুইজন এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। তাদের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে ভুক্তভোগীর বক্তব্যের মিল পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় জড়িত একজন সিএনজি চালক বর্তমানে পলাতক রয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসা শেষে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মামলা দায়ের এবং আটক ব্যক্তিদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হবে। এছাড়া এই চক্রটির অপরাধের অতীত ইতিহাসও খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।
শুরমা ফারর খবর ছিলটি জবানে ছিলটর খবর